আপডেট নিউজ:

দি ডেইলী বার্তা পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

‌পুলিশের গাড়ির লাইসেন্স নেই, নিরাপদ সড়ক কীভাবে হবে?

দারাজের পুরষ্কার, এমন অজানা লিংকে কেউ ভুলেও ক্লিক বা প্রেবেশ কিংবা শেয়ার করবেন।

ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা শিরোপা জয় আর্জেন্টিনার

সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্ধ বিরোধিতা করছে: ওবায়দুল কাদের

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম খোকন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রিফাত হত্যা মামলা: মিন্নি, ফরাজি, রাব্বি, সিফাত, হৃদয় ও হাসান এর মৃত্যুদণ্ড। বাকি ৪ আসামি খালাস।

ধর্ষণ মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার

শিরোনাম:

আজ রংপুর বিএনপির সমাবেশ, ভোগান্তি পথে পথে

রংপুরে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ আজ। দলের কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত এ সমাবেশ জেলার কালেক্টরেট মাঠে বেলা ২টায় শুরুর কথা রয়েছে। আগে থেকেই সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন অনেক নেতাকর্মী। এদিকে মহাসড়কে নসিমন, করিমন, থ্রি-হুইলারসহ অবৈধ যান চলাচল বন্ধ এবং রংপুর-কুড়িগ্রাম সড়কে ‘প্রশাসনিক হয়রানি’ বন্ধের দাবিতে দুই দিনের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে রংপুর পরিবহন মালিক সমিতি।

এতে বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লার বাস চলাচল। বিভিন্ন বাস টার্মিনালে আটকা রয়েছে শত শত বাস। ফলে পথে পথে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ জনগণ। অন্যদিকে হঠাৎ বাস বন্ধের ঘোষণায় দৈনিক মজুরিতে কর্মরত শ্রমিকরাও পড়েছেন বিপাকে। খবর স্টাফ রিপোর্টার ও নিজস্ব সংবাদদাতাদের।
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নিত্যপণ্য ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিভিন্ন স্থানে গুলিতে দলের নেতাকর্মী নিহত হওয়ার প্রতিবাদসহ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশ করছে। এই ধারাবাহিকতায় আজ রংপুরে বিভাগীয় গণসমাবেশের ডাক দিয়েছে দলটি।

রংপুরে আজ বিএনপির সমাবেশ

এতে প্রধান অতিথি থাকবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা গণসমাবেশে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
এদিকে, গণসমাবেশ সফল করতে ইতোমধ্যে রংপুর মহানগরীসহ বিভাগের ৯ সাংগঠনিক জেলায় এবং বিভিন্ন উপজেলায় প্রস্তুতি সভা করেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব হারুন উর রশিদ, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিবসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে থাকতে দেখা গেছে।

তারা সমাবেশের মঞ্চ নির্মাণসহ অন্যান্য প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেন। এদিকে রাস্তায় আসার পথে বিভিন্ন স্থানে গাড়ি থামিয়ে পুলিশের তল্লাশি ও সমাবেশে আসতে বাধা দেয়ার অভিযোগ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি) কমিশনার নূরে আলম মিনা বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছি। সমাবেশ ঘিরে যাতে কোনো ধরনের সহিংসতা না ঘটে, সে জন্য কয়েক দফায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু বলেন, ধর্মঘটসহ যত বাধাই আসুক মানুষ সমাবেশে উপস্থিত হবেন। গণসমাবেশে যে জনস্রোত হবে তা এই ধর্মঘট দিয়ে আটকানো যাবে না। রংপুর বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, সরকারি হস্তক্ষেপে পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। সরকারি দলের মূল উদ্দেশ্য সমাবেশে আসা লোকজনকে বাধা দেওয়া। পরিবহন ধর্মঘট কোনোভাবেই নেতাকর্মীদের সমাবেশে আসা ঠেকাতে পারবে না। পূর্বের সমাবেশগুলোর উপস্থিতিই তার প্রমাণ।
ধর্মঘট উপেক্ষা করে রংপুরমুখী বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় বাড়ছে ॥ বাস ধর্মঘটের ঘোষণায় একদিন আগেই দূরের জেলার নেতাকর্মীরা রংপুরে এসে পৌঁছেছে। শুক্রবার সকাল থেকে ধর্মঘট শুরুর আগেই বাস ও ট্রেনে তারা রংপুরে এসেছে। অনেক নেতাকর্মী মোটরসাইকেল, অটোরিক্সা ও ট্রেনে রওনা হয়েছেন। বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
রংপুর বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল খালেক জানান, সাংগঠনিক জেলা দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, সৈয়দপুর থেকে নেতাকর্মীরা যেভাবে পারছে রংপুরে আসছেন। বাস ধর্মঘট ঘোষণার পর স্বতঃস্ফূর্তভাবে নেতাকর্মীরা রওনা দিয়েছেন।

অনেক জেলার নেতাকর্মীরা রাতে এসে পৌঁছেছেন। বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরা জানান, জেলা মোটর মালিক সমিতির ডাকা পরিবহন ধর্মঘটের কারণে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার সব ধরনের বাস, ট্রাক, পিকআপ চলাচল সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিনগত রাত দুটোর দিকে ঠাকুরগাঁও থেকে অন্তত আট হাজার নেতাকর্মী এসেছেন শহরে। নগরীর উত্তম বানিয়াপাড়া এলাকায় অবস্থান নিয়ে একাধিক গুদামঘরে রাতযাপন করেছেন তারা। এ ছাড়াও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা কর্মী-সমর্থকরা নগরীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছেন।

সরেজমিনে শুক্রবার সকাল আটটার দিকে উত্তম বানিয়াপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, গুদাম ঘরের ভেতর গাদাগাদি করে ঘুমিয়ে আছেন নেতাকর্মীরা। সেখানে খোলা মাঠে চুলা জ্বালিয়ে রান্না হচ্ছে সবজি-খিচুড়ি। ঠাকুরগাঁও থেকে আসা নেতাকর্মীরা জানান, বাস বন্ধের ঘোষণা হবে, এটা আগেই জানতেন তারা। তাই জেলার নেতারা দুদিন আগেই যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। সবাই বিছানার চাদর, কম্বলসহ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কাপড় নিয়ে এসেছেন।
রংপুরের সঙ্গে সারা দেশের পরিবহন যোগাযোগ বন্ধ, ভোগান্তি ॥ সড়ক পথে প্রশাসনিক হয়রানির প্রতিবাদ ও তিন চাকার যানবাহনসহ মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে রংপুর বিভাগে শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে ৩৬ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘট শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। শুক্রবার ভোর ছয়টার পর থেকে রংপুরে কোন আন্তঃজেলা বা দূরপাল্লার গণপরিবহন চলতে দেখা যায়নি।
বিএনপির গণসমাবেশের দুদিন আগে হঠাৎ করে রংপুর মোটর মালিক সমিতির ডাকা এ ধর্মঘটের কারণে অন্যান্য জেলার সব পরিবহন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ফলে রংপুরের সঙ্গে সারা দেশের পরিবহন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
এদিকে বিএনপির নেতারা বলছেন, চট্টগ্রাম, ময়মনসিং ও খুলনার পর এবার রংপুরেও সরকারের পক্ষ থেকে বাঁধা সৃষ্টি করতে ধর্মঘট দেয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি ব্যাহত করতে এ ধরনের কার্যক্রম দিয়েছেন তারা। তবে ধর্মঘটসহ যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করে রংপুর বিভাগীয় গণসমাবেশে লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত হবেন বলে আশা তাদের।

রংপুর জেলার সব রুটের বাস-মিনিবাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হয়। ফলে রংপুরের সঙ্গে সারা দেশের পরিবহন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে বিভিন্ন স্থানে যাত্রীরা ভেঙে ভেঙে যাওয়ায় গুনতে হচ্ছে বেশি ভাড়া। অনেকেই আবার গন্তব্যে না যেতে পেরে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন।
রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি একেএম মোজাম্মেল হক বলেন, মহাসড়কে নিরাপত্তার জন্য পরিবহন মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার আইন করেছে। কিন্তু রংপুরের মহাসড়কগুলোতে এখনো মহাসড়কে নছিমন, করিমন, ভটভটিসহ বিভিন্ন অবৈধ যানবাহন চলাচল করছে। এ জন্য প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এমন অবস্থায় মহাসড়কে এসব যান চলাচল বন্ধের জন্য আমরা কয়েকটি সংগঠন মিলে সভা করে শুক্রবার ভোর থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুরের সব রুটে পরিবহন ধর্মঘট আহ্বান করেছি।
পরিবহন শ্রমিকরা বিপাকে ॥ ধর্মঘট থাকায় দু’দিনের আয় বন্ধ থাকবে পরিবহন শ্রমিকদের। কারণ বাস না চললে মালিক পক্ষ তাদের বেতন দেয় না। এতে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে জাহাঙ্গীর আলম নামে এক বাস শ্রমিক বলেন, আমরা কখনোই চাই না বাস বন্ধ থাকুক, বাস বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন মালিকরা। কিন্তু বাস বন্ধ থাকলে সাধারণ মানুষের মতো তাদেরও কষ্ট হয়।

তবে এই ধর্মঘট সরকারের পক্ষ থেকে ডাকা ধর্মঘট নয় বলে দাবি করেন এই শ্রমিক।
নীলফামারীর বাস টার্মিনালে আটকা শত শত বাস ॥ দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকায় নীলফামারীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে আটকা রয়েছে কয়েক শ’ বাস। নীলফামারীতে শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে ধর্মঘট শুরু হয়েছে যা চলবে শনিবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। জেলার বিভিন্ন সড়কে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লা রুটে বাস চলাচল করতে দেখা যায়নি। তবে অটোরিক্সা, ইজিবাইকসহ অন্যান্য যানবাহন চলতে দেখা গেছে।
সাধারণ যাত্রীরা অভিযোগ করে বলছে, শনিবার রংপুরে বিএনপির মহাসমাবেশ বানচাল করতে পরিবহন ধর্মঘট ডেকে জনগণকে জিম্মি করা হয়েছে। আমরা রাজনীতি করি না, তাহলে কেন এই দুর্ভোগ? এদিকে শুক্রবার নীলফামারী, সৈয়দপুর ও ডোমার বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, পরিবহন বন্ধ থাকায় দূর-দূরান্তের যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ছেড়ে যাচ্ছে না কোনো বাস। ফলে তাদের গন্তব্য স্থানে পৌঁছাতে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে সহযোগিতা নিতে হচ্ছে থ্রি-হুইলার অটোরিক্সা বাইক ও সিএনজির।
সৈয়দপুর বাস টার্মিনালে আসা ঠাকুরগাঁওয়ের দম্পতি আরিফুল ইসলাম ও সাবিয়া আক্তার বলেন, স্ত্রীকে ডাক্তার দেখানোর জন্য রংপুর নিয়ে যাচ্ছি। ঠাকুরগাঁও থেকে সিএনজি রিক্সায় সৈয়দপুর বাস টার্মিনালে আসি। কিন্তু টার্মিনালে এসে দেখি বাস চলছে না। তাই হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। আরিফুল অভিযোগ করে বলেন, এটা উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাস ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।
রাজশাহী-রংপুর বাস চলাচল বন্ধ ॥ রংপুর, বগুড়ার পর এবার রাজশাহী থেকে রংপুরগামী বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন পরিবহন নেতারা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহী থেকে সবশেষ বাস রংপুরের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। শুক্র ও শনিবার আর কোনো বাস ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন পরিবহন নেতারা।

এ বিষয়ে রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক বলেন, রংপুরে অভ্যন্তরীণ কারণে দুই দিনের পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। সেখানে কোনো বাস চলবে না। অন্য কোনো জেলা থেকেও যাবে না। রংপুর বাস মালিকদের পক্ষ থেকে তাদেরও রংপুরে বাস না চালানোর জন্য বলেছেন। এ কারণে তারা রাজশাহী থেকে বাস চলাচল দুই দিন বন্ধ রাখবেন।
গাইবান্ধা থেকে থেকে ছেড়ে যায়নি বাস ॥ ধর্মঘটে গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে রংপুর ও বগুড়া রুটের বাসগুলো চলাচল বন্ধ রেখেছে মালিক-শ্রমিক ইউনিয়ন। ভোর থেকে এ দুই রুটের কোনো বাস গাইবান্ধা টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যায়নি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা। এদিকে হঠাৎ নির্দেশনায় বাস বন্ধ হওয়ায় দৈনিক মজুরিতে কর্মরত শ্রমিকরাও পড়েছেন বিপাকে।
বিএনপির বিলবোর্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ, প্রতিহতের ঘোষণা ॥ রংপুরে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাটানো বিলবোর্ডের ওপর বিএনপির গণসমাবেশের বিলবোর্ড সাটানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিএনপির সাটানো বিলবোর্ড অপসারণে আল্টিমেটাম দিয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

একই সঙ্গে রংপুরে বিএনপি কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলটি। শুক্রবার বেলা সাড়ে বারোটার দিকে রংপুর মহানগরীর বেতপট্টির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিউর রহমান সফি।
তবে আওয়ামী লীগের এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু বলেন, আমরা কারো বিলবোর্ডের ওপর বিলবোর্ড সাটাইনি। আমরা সিটি করপোরেশন থেকে বিলবোর্ডের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিলবোর্ড সাটিয়েছি।

এর জন্য তাদের তিন দিনের ভাড়াও দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে আমাদের ব্যানার দিয়েছি, তারা বিলবোর্ডে সেগুলো সাটিয়েছে। এখন কার বিলবোর্ডের ওপর বিলবোর্ড সাটানো হয়েছে, এটা আমাদের দেখার বিষয় নয়।