চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জ ও নয়মাইল বাজারে মামুনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে দ্রুত মুক্তির দাবি জানিয়ে মানববন্ধন।
চুয়াডাঙ্গার কুতুবপুর ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন মামুন এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারে মানববন্ধন করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মানববন্ধন করা হয়েছে এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান, রমজান আলী, শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন ছাত্রনেতা আরাফাত, শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন কৃষক দলের সেক্রেটারি বিপ্লব হোসেন, সদর থানা যুবদলের সদস্য মানোয়ার হেসেন, জামায়াতে নেতা মাসুম বিল্লাহ সহ বাজারে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে বেলা ১২ টার দিকে নয়ইমাইল বাজারে সাদ্দাম হোসেন মামুন এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা মানববন্ধন করেছে, এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সহ সেক্রেটার আশিকুর রহমান, থানা শ্রমিকদলের সেক্রেটারি শাহিন হোসেন, থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আমির মেম্বার, জেলা যুবদলের সদস্য আরিফ হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মনসুর আলী সহ কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গার যাদবপুরে কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যার ঘটনার মূলহোতাকে আড়াল করা হচ্ছে বলে এই এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক গুঞ্জন উঠেছিল ।
এলাকাবাসীর দাবি, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরিটির ফিঙ্গার প্রিন্ট নিলেই, আসল হত্যাকারীকে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। এছাড়া জেসমিন খাতুন ওরফে আয়না খাতুনের মোবাইল ফোনের কললিস্ট যাচাই বাছাই করলেই পরকীয়া প্রেমিকের ঠিকানা বের করা সম্ভব হবে বলেও অনেকের ধারণা তাদের।এলাকার অনেকেই বলছেন, জেসমিন খাতুন ওরফে আয়না খাতুন তার স্বামী হাবিবুর রহমান হাবিল,
গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালের ঘটনাটি ঘটেছিলো, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা সদর কুতুবপুর ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের সাদ্দাম হোসেন মামুনকে আটক করা হয়েছিল, তবে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত যারা দোষী ছিল আওয়ামী লীগের নেতাদের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে এই হত্যাকাণ্ডের দায়ভার মামুনকে বিনা কারণে আটক করে জেল হাজতে রাখা হয়েছে বলে এমনটাই জানিয়েছে পরিবার সূত্রে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রেক্ষিতে গতকাল শনিবার সরোজগঞ্জ ও নয়মাইল বাজারে মানববন্ধন করা হয়েছে।

