আপডেট নিউজ:

দি ডেইলী বার্তা পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

‌পুলিশের গাড়ির লাইসেন্স নেই, নিরাপদ সড়ক কীভাবে হবে?

দারাজের পুরষ্কার, এমন অজানা লিংকে কেউ ভুলেও ক্লিক বা প্রেবেশ কিংবা শেয়ার করবেন।

ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা শিরোপা জয় আর্জেন্টিনার

সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্ধ বিরোধিতা করছে: ওবায়দুল কাদের

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম খোকন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রিফাত হত্যা মামলা: মিন্নি, ফরাজি, রাব্বি, সিফাত, হৃদয় ও হাসান এর মৃত্যুদণ্ড। বাকি ৪ আসামি খালাস।

ধর্ষণ মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার

শিরোনাম:

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তেঘরীতে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ইটের সলিং রাস্তায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।


স্থানীয়দের অভিযোগ, অত্র ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মৌসুমি আক্তার নিম্নমানের ইট ও প্রয়োজনের তুলনায় অল্প বালু ব্যবহার করে নাম মাত্র কাজ করাচ্ছেন।


সরেজমিনে দেখা গেছে, সদর উপজেলার গড়াইটুপি ইউনিয়নের তেঘরী গ্রামে রাস্তার কাজে ব্যবহৃত ইটগুলো এতটাই নিম্নমানের যে, অনেক স্থানে পায়ে হাঁটলেই তা ভেঙে যাচ্ছে।


স্থানীয়রা বলছেন, ‘আমাদের জীবনে এত খারাপ রাস্তা আর দেখিনি। এই রাস্তা মানুষের চলাচলের জন্য নয়, যেন ধোঁকা দেওয়ার জন্য!
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, এর আগেও এই প্রকল্পের আওতায় কাজ শুরু হলে মান খারাপ হওয়ায় এলাকাবাসী তা বন্ধ করে দিয়েছিল। পরে বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে আবারও কাজ শুরু করেন ইউপি সদস্য মৌসুমি আক্তার।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মৌসুমি আক্তার বলেন, ‘এখানে আমার কোনো দোষ নেই। ভাটা মালিক যেসব ইট দিয়েছে, তাই দিয়েই কাজ হচ্ছে।
গড়াইটুপি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ২৩০ ফুট রাস্তা নির্মাণে মৌসুমি আক্তারকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তার কাজ নিয়ে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ আসার পর আমি নিজে পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছি। তাকে মানসম্মত কাজের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা মানা হয়নি।


দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে মৌখিকভাবে অবগত হয়েছি। ইউএনও মহোদয় নির্দেশ দিলে অবশ্যই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করব।


চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম সাইফুল্লাহ আজিজ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাস্তার অনিয়ম দেখে সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। মানুষ চলাচলের উপযোগী রাস্তা নিশ্চিত করতে আমরা সজাগ। অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।