ঝিনাইদহে ফসলি জমি ও সরকারি রাস্তা বাঁচাতে ইউএনও, জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের নিকট দরখাস্ত
ডেইলীবার্তা প্রতিবেদক: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্না,সাধুহাটি ও মধুহাটি ইউনিয়নের ডহরপুকুরিয়া, বাদপুকুরিয়া, শ্যামনগর,নাথকুন্ডুসহ বিভিন্ন মাঠের আবাদি জমি নষ্ট করে পুকুর খনন করে রমরমা বালু ও মাটির ব্যাবসা করছে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতারা। সুতরাং এতে করে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি,সরকারি রাস্তা ও বসত-ভিটা। কৃষকের জমি,সরকারি রাস্তা ও বসত-ভিটা বাঁচাতে সাগান্না ও মধুহাটি ইউনিয়নের কৃষকেরা বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর ) দুপুরে ঝিনাইদহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের নিকট ৪৫ জন কৃষক সাক্ষর করে দরখাস্ত দিয়েছেন। যার হুবহু…… তাং ১৯/১২/১৯ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার/জেলা প্রশাসক /বিভাগীয় কমিশনার। জনাব, যথাবিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে,ঝিনাইদহ সদর,উপজেলাধীন ২নং মধুহাটি ইউনিয়নে শ্যামনগর গ্রামের অধিবাসী। এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষ কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে,কিন্তু বর্তমানে আবাদী ধানি জমি,খাস জমি ও খাল গুলোতে অবৈধ ভাবে পুকুর খনন এর ফলে আমন ও বোরো আবাদে ধান চাষ ও অন্যান্য ফসল চাষে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রসাশনিক মহলের দৃষ্টি পড়লে রাতের আঁধারে চলে পুকুর খননের কাজ। দিনের পর দিন এই ভাবে পুকুর খননের ফলে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ও বন্যার পানি নদীতে যেতে পারছে না। ফলে আবদ্ধ পানি জমে চাষের জমি অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। দিনে দিনে মানুষ আরো কর্মহীন হচ্ছে। শুধু এর প্রভাব ২ নং মধুহাটি ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রাম নয় পার্শ্ববর্তী ৩ নং সাগান্না ইউনিয়নের বাদপুকুরিয়া গ্রাম ও নাথকুন্ডু গ্রাম ছাড়াও মামুনশিয়া,নওদাপাড়া ও রাঙ্গিয়ার পোতা গ্রামের সাধারণ মানুষ চরম জলাবদ্ধতার মধ্যে আছে। এই জলাবদ্ধ জমির পরিমাণ আনুমানিক ২০০০ ( দুই হাজার ) একর। অতএব,জনাবের নিকট আকুল আবেদন এই যে,উপরোক্ত বিষয় বিবেচনা করে দুস্থ কৃষকদের বিষয়গুলো পর্যালোচলা করে সুষ্ঠু ভাবে তদন্তের মাধ্যমে সু-ব্যবস্থা দানে জনাবের একান্ত মর্জি হয়। বিনীত নিবেদক, ভুক্তভোগী কৃষক বৃন্দ মোঃ হাপিজুর,আনার,হাছান,শুকুর,মুহিদুল, মন্টু,জাকির,সোহাগ,আলম,আবু তাহেরসহ মোট ৪৫ জন কৃষক।

