আপডেট নিউজ:

দি ডেইলী বার্তা পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

‌পুলিশের গাড়ির লাইসেন্স নেই, নিরাপদ সড়ক কীভাবে হবে?

দারাজের পুরষ্কার, এমন অজানা লিংকে কেউ ভুলেও ক্লিক বা প্রেবেশ কিংবা শেয়ার করবেন।

ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা শিরোপা জয় আর্জেন্টিনার

সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্ধ বিরোধিতা করছে: ওবায়দুল কাদের

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম খোকন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রিফাত হত্যা মামলা: মিন্নি, ফরাজি, রাব্বি, সিফাত, হৃদয় ও হাসান এর মৃত্যুদণ্ড। বাকি ৪ আসামি খালাস।

ধর্ষণ মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার

শিরোনাম:

টেকনাফে পরস্পর ছুরিকাঘাতে জামাই-শ্বাশুড়ী নিহত,শালা আহত

জিয়াবুল হক, টেকনাফ  প্রতিনিধি:

কক্সাবাজারের টেকনাফে পাল্টাপাল্টি হামলার ছুরিকাঘাত হয়ে জামাই-শ্বাশুড়ী ২ জন নিহত হয়েছে। ঘটনায় শালা গুরুত্বর আহত। ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে টেকনাফ পৌরসভা ইসলামীয়াবাদ নতুন পল্লান পাড়া এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। 

সুত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে টেকনাফ পৌরসভার ইসলামিয়াবাদ নতুন পল্লান পাড়া এলাকার মৃত ছৈয়দ হোসেনের পুত্র সোনা মিয়া(৩২) মৃত নবী হোসন প্রকাশ নুর হোসেনের স্ত্রী শ্বাশুড়ী তাহামিনা(৪৫) কে বুকে পিটে ছুরিকাঘাত করে। এরপর মুত নবী হোসেনর পুত্র ‘শালা’ জকির(১৬) এসে দুলা ভাই সোনা মিয়াকে ছুরিকাঘাত করে।এতে পাল্টাপাল্টি হামলায় শালা জকিরও আহত হয়।

এরপর প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। অবশেষে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জামাই-শ্বাশুড়ী দুই জনেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

স্থানীয়দের সুত্রে জানা যায়, নিহত জামাই সোনা মিয়া ওরফে “বউ পাগলা সোনা মিয়া” বহু বিবাহে লিপ্ত ছিল। তার বিয়ে করা একাধিক বউ রয়েছে। তাই তাদের পারিবারিক কলহ ছিল নিত্য-দিনের সঙ্গী। সেই সুত্র ধরে ১২ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাদের জামাই-শ্বাশুড়ীর মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টির এক পর্যায়ে জামাই শ্বাশুড়ী তাহামিনাকে ছুরিকাঘাত করলে শালা জকির দুলাভাইকে ছুরিকাঘাত করে। উক্ত ঘটনায় শালাও গুরুত্বর আহত হয়।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার এসআই কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার আসল রহস্য বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি (অপারেশন) রাকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ রয়েছে। অভিযোগ পেলে উক্ত ঘটনার সাথে যে সমস্ত অপরাধীরা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।