আপডেট নিউজ:

দি ডেইলী বার্তা পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

‌পুলিশের গাড়ির লাইসেন্স নেই, নিরাপদ সড়ক কীভাবে হবে?

দারাজের পুরষ্কার, এমন অজানা লিংকে কেউ ভুলেও ক্লিক বা প্রেবেশ কিংবা শেয়ার করবেন।

ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা শিরোপা জয় আর্জেন্টিনার

সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্ধ বিরোধিতা করছে: ওবায়দুল কাদের

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম খোকন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রিফাত হত্যা মামলা: মিন্নি, ফরাজি, রাব্বি, সিফাত, হৃদয় ও হাসান এর মৃত্যুদণ্ড। বাকি ৪ আসামি খালাস।

ধর্ষণ মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার

শিরোনাম:

তিতুদহে বিধবা নারীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আটক আ.লীগ নেতা

চুয়াডাঙ্গা সদরের তিতুদহে বিধবা তিন সন্তানের জননীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদুর হক ঝণ্টু মিয়া।

আপত্তিকর অবস্থায় আটক

গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে স্থানীয়রা তাদের আটক করে। পরে বেরসিক জনতা তাকে উত্তম-মাধ্যম দেয়। আপত্তিকর অবস্থায় আটক সাজ্জাদুর রহমান ঝণ্টু তিতুদহ গ্রামের বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান টিপু মিয়ার ছোট ভাই ও মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

জানা গেছে, তিতুদহের মাদ্রাসাপাড়ার মিয়া বাড়ির ঝণ্টুর সাথে একই গ্রামের হুলিয়ামারি পাড়ার বিধবা আয়েশা খাতুনের (৫৫) অনেক আগে থেকে অবৈধ সম্পর্ক চলে আসছিল। যার সূত্র ধরে প্রতিনিয়ত ওই বিধবা নারীর বাড়িতে রাতে চলাচল করত ঝণ্টু। যা স্থানীয় সবারই চোখে পড়ে নিত্যদিনই। তবে প্রভাবশালী হওয়ার কারণে কেউ কিছু বলতে সাহস পায়নি।
তবে গত মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ঝণ্টু আয়েশার ঘরে ঢুকে। বিষয়টি বাড়ির আশেপাশের কয়েকজনের নজরে পড়ে।

পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান শুকুর আলীকে জানায় কয়েকজন যুবক। পরে চেয়ারম্যান নিজে এসে ৬-৭ জনকে সাথে রুমে ঢুকে আয়েশার রুমে থাকা বক্স খাটের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ঝণ্টুকে টেনে বের করেন। পরে ১০-১২ জন যুবক তাকে উত্তম-মাধ্যম দেয়। পরে বিষয়টি তিতুদহ ক্যাম্প পুলিশ ও চেয়ারম্যান শুকুর আলী নিয়ন্ত্রণে এনে ঝণ্টুর ছেলে আবির মিয়ার নিকট মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়।

এ বিষয়ে আয়েশা খাতুন বলেন, ‘ঝণ্টু আমাকে নানা ধরণের হুমকি দিয়ে এই কার্যকলাপ অনেক আগে থেকে করে আসছে। যা ভয়ে আমি কিছু বলতে বা করতে পারি না। তবে সে অনেকবার আমার সাথে অনৈতিক সম্পর্কে মিলিত হয়েছে। এবিষয়ে তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুকুর আলীর কাছে ঝণ্টুর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।

এ বিষয়ে সাজ্জাদুল হক ঝণ্টুর সাথে যোগাযোগ করতে গেলে তিনি মুঠোফোনটি রিসিভ করেননি। তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুকুর আলী বলেন, এলাকার নানা ধরণের অপকর্মের সাথে সর্বদা জড়িত থাকে এই ঝণ্টু। এই রকম একজন বয়স্ক মহিলার সাথে যে সে এরকম কাজ করতে পারে, এটা সকলের কাছে অসামান্য হলেও তার কাছে সাধারণ বিষয়। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আয়েশা একটি অভিযোগপত্র দায়ের করেছে। তার বিচার আগামীকাল (আজ বৃহস্পতিবার) ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত হবে।