ফসলি জমি ও সরকারি রাস্তা বাঁচাতে প্রশাসনের সু দৃষ্টি প্রয়োজন। মন্তব্য সচেতন গ্রামবাসীর।
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের গিরিশ নগর স্কুলের পাসের জমিতে পুকুর খনন করে করা হচ্ছে রমরমা বালু ও মাটির ব্যাবসা। এতে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি ও বসত-ভিটা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গিরিশ নগর বাজার থেকে গোবর গাড়া যাওয়ার রাস্তার প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার উপর মাটির আস্তর পড়ে আছে। অতিরিক্ত বোঝাই গাড়ি চলাচলের কারণে রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে গেছে।এতে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় জমির মালিক নুরুল্লাপুর গ্রামের মোহাম্মদ মিন্টু মিয়া এক লক্ষ টাকার বিনিময় পুকুর খননের জন্য মাটি কাটার কন্ট্রাক্ট দিয়েছে কুষ্টিয়া ঠিকাদার হাবিবুর রহমানকে। সরকারিভাবে অনুমোদন না থাকা সত্বেও গত দু’মাসে প্রায় বিশ লক্ষাধিক টাকার মাটি ও বালু লুটের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদার হাবিবুরের বিরুদ্ধে। এ মন্তব্য এলাকাবাসীর। অভিযোগ,বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিক আসার পরও কোন প্রকার সংবাদ প্রকাশ না হওয়ার কারণে সচেতন এলাকাবাসীর অভিযোগ রহস্যজনক কারনে এ বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না। এলাকাবাসীর দাবি, যদি সম্মানিত চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার ও জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ জাহিদুল ইসলাম সু দৃষ্টি দেন তাহলে হয়তো বন্ধ হতো বালু উত্তোলন ।বেঁচে যেতে ফসলি জমি ও বসত ভিটা ও সরকারি রাস্তা।

