আপডেট নিউজ:

দি ডেইলী বার্তা পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

‌পুলিশের গাড়ির লাইসেন্স নেই, নিরাপদ সড়ক কীভাবে হবে?

দারাজের পুরষ্কার, এমন অজানা লিংকে কেউ ভুলেও ক্লিক বা প্রেবেশ কিংবা শেয়ার করবেন।

ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা শিরোপা জয় আর্জেন্টিনার

সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্ধ বিরোধিতা করছে: ওবায়দুল কাদের

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম খোকন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রিফাত হত্যা মামলা: মিন্নি, ফরাজি, রাব্বি, সিফাত, হৃদয় ও হাসান এর মৃত্যুদণ্ড। বাকি ৪ আসামি খালাস।

ধর্ষণ মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার

শিরোনাম:

বড়াইগ্রামে ভাতাভোগীর তালিকায় অর্থ আদায়ের অভিযোগ

আমিরুল ইসলাম, নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ

নাটোরের বড়াইগ্রামে ভাতাভোগীর তালিকায় অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম (৪০) নামের ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।
বড়াইগ্রামে ভাতাভোগীর তালিকায় অর্থ আদায়ের অভিযোগ
বড়াইগ্রামে ভাতাভোগীর তালিকায় অর্থ আদায়ের অভিযোগ
অভিযুক্ত সিরাজুল পারকোল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে ও ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলীর সহচর।

বৃহস্পতিবার সরজমিনে গেলে উপজেলার মাঝগ্রাম ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের পারকোল গ্রামের জৈনোক ব্যাক্তি এই অভিযোগ করেন।

সরজমিন পদক্ষীণ শেষে অভিযোগের সত্যতায় দেখা যায় পারকোল গ্রামের মৃত ইসকেন্দার মন্ডলের স্ত্রী খালেদা বেওয়া (৬০), মৃত রওশন সরকারের স্ত্রী মনোয়ারা বেওয়া (৬৫), মৃত আয়েন উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে ইয়ার আলী প্রামানিক (৭০) সিরাজুল ইসলাম ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলীর সাথে সদা সর্বদা চলাফেরা করেন।

এরই সুত্র ধরে বিভিন্ন জনের নিকট থেকে ভাতাভোগীর কার্ড করার নামে অর্থ আদায় শুরু করে। মনোয়ারা বেওয়া ও খালেদা বেওয়ার নিকট থেকে প্রায় এক বছর আগে এক হাজার টাকা করে নেন।
কিন্তু কোন কার্ড না পাওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে ফেরত না দিয়ে তাল বাহানা শুরু করেন।

এছারাও ইয়ার আলীকে বয়স্ক ভাতার নামে প্রথমে এক হাজার পরে আবার দুই হাজার টাকা দিলে তালিকায় নাম উঠে।
এই তালিতায় নাম উঠার কারনে প্রতিমাসে ৫শত করে টাকা করে বয়স্ক ভাতা পাবেন।

২০১৮ সালের জুলাই মাস থেকে এপ্রিল ২০২০ সাল পর্যন্ত ১৮ মাসের ৯ হাজার টাকা ব্যংক থেকে উত্তোলন করেন। কিন্তু সিরাজুল সেই টাকা থেকে দুই হাজার টাকা কেটে রেখে সাত হাজার টাকা ইয়ার আলীকে দেন।
কিসের টাকা নিচ্ছে যানতে চাইলে বলেন ব্যাংক থেকে সাত হাজার টাকাই উঠছে।

সিরাজুল ইসলাম অভিয়োগ অস্বীকার করে বলেন আমি কোন টাকা নেই নাই।

ইদ্রিস আলী বলেন, মনোয়ারা ও খালেদা বেওয়া টাকা নেওয়ার বিসয়ে আমার জানা নাই। ইয়ার আলীর নিকট থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানার পরে ফেরত দিতে বলেছি।

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নাই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ বলেন, যারা ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে তারা লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।