আপডেট নিউজ:

দি ডেইলী বার্তা পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

‌পুলিশের গাড়ির লাইসেন্স নেই, নিরাপদ সড়ক কীভাবে হবে?

দারাজের পুরষ্কার, এমন অজানা লিংকে কেউ ভুলেও ক্লিক বা প্রেবেশ কিংবা শেয়ার করবেন।

ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা শিরোপা জয় আর্জেন্টিনার

সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্ধ বিরোধিতা করছে: ওবায়দুল কাদের

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম খোকন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রিফাত হত্যা মামলা: মিন্নি, ফরাজি, রাব্বি, সিফাত, হৃদয় ও হাসান এর মৃত্যুদণ্ড। বাকি ৪ আসামি খালাস।

ধর্ষণ মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার

শিরোনাম:

সাবেক মন্ত্রী তাজুলের ১৫ কোটি টাকার সম্পদ, লেনদেন ১৬৬ কোটি

প্রায় ১৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ১৬৬ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া ইসলামের নামে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সাবেক মন্ত্রী তাজুল
তাজুল

বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দুটি দায়ের করা হয়েছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন।

প্রথম মামলায় হয়েছে কুমিল্লা-৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসামি মো. তাজুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সরকারের দায়িত্বশীল পদে থেকে অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ ৭ কোটি ৮০ লাখ ২০ হাজার ৯৩৭ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া তার নিজ নামের ৩৫টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ১৩৯ কোটি ৭৪ লাখ ৯৮ হাজার ১১৭ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন : মোবাইল কলরেট ও ওষুধে বর্ধিত কর প্রত্যাহার

দ্বিতীয় মামলায় প্রধান আসামি হয়েছেন তাজুল ইসলামের স্ত্রী ফৌজিয়া ইসলাম। সহায়তায় আসামি স্বামী তাজুল ইসলামও। এ মামলায় ৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অর্জন ও নিজ নামের ১১টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ২৭ কোটি ১১ লাখ ৯৫ হাজার ১৭৮ টাকা লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে ফৌজিয়া ইসলামের বিরুদ্ধে।

আসামিদের বিরুদ্ধে অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করাসহ তার হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করার অপরাধে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

২০০৮ সাল থেকে টানা চার মেয়াদে কুমিল্লা-৯ আসনের এমপি নির্বাচিত হন তাজুল ইসলাম। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর গত বছরের আগষ্ট মাসে তাজুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।