টেকনাফে পোকাগুলো ‘পঙ্গপাল’ নয়!
জিয়াবুল হক, টেকনাফ:
কক্সবাজারের টেকনাফে ‘পঙ্গপাল’ বলে যে গুঞ্জন চলছে প্রকৃত পক্ষে তা মরুভূমির ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা পঙ্গপাল জাতীয় কোনো পোকা নয় বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

এ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
শুক্রবার (০১ মে) কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, বেশ কিছুদিন আগে কক্সবাজারের টেকনাফ সদর ইউনিয়নের লম্বরী এলাকায় ছাত্রলীগ নেতার বাড়ির বাগানে কয়েকটি গাছে ঘাসফড়িংয়ের মতো কিছু ছোট পোকার আক্রমণ দেখা দেয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কক্সবাজারের উপপরিচালক ও স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কীটনাশক প্রয়োগ করে পোকাগুলো দমন করেন।
অতিসম্প্রতি ঘাসফড়িং সদৃশ এসব পোকা আবারো দেখা দিলে কৃষি মন্ত্রণালয় এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করে।
শুক্রবার সকালেই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীট তত্ত্ববিদদের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি দল টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) থেকেও পৃথক পৃথক টিম রওয়ানা দিচ্ছে।
ঘাসফড়িং সদৃশ লোকাস্ট গোত্রের স্থানীয় এই পোকার শনাক্তকরণসহ আক্রমণ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও ধ্বংসে এই টিম কাজ করবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কক্সবাজারের উপপরিচালক আজ জানান যে, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) কীটনাশক স্প্রে করার পর গাছে থাকা পোকাগুলো মারা যায়। সেখানে আর কোনো জীবিত পোকা নেই বলেও তিনি জানান।
এই পোকা তেমন ক্ষতিকর নয় মর্মে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এসব পোকা মরুভূমির ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা পঙ্গপাল জাতীয় কোন পোকা নয়।
এ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

