আপডেট নিউজ:

দি ডেইলী বার্তা পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

‌পুলিশের গাড়ির লাইসেন্স নেই, নিরাপদ সড়ক কীভাবে হবে?

দারাজের পুরষ্কার, এমন অজানা লিংকে কেউ ভুলেও ক্লিক বা প্রেবেশ কিংবা শেয়ার করবেন।

ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা শিরোপা জয় আর্জেন্টিনার

সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্ধ বিরোধিতা করছে: ওবায়দুল কাদের

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম খোকন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রিফাত হত্যা মামলা: মিন্নি, ফরাজি, রাব্বি, সিফাত, হৃদয় ও হাসান এর মৃত্যুদণ্ড। বাকি ৪ আসামি খালাস।

ধর্ষণ মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার

শিরোনাম:

শচীনের সেই ইনিংসটি খেলতে চান তামিম ইকবাল

শচীনের সেই ইনিংসটি খেলতে চান তামিম
১৯৯৮ সালটি ছিল কেবল ভারতের লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকারের। সে বছরের শুরু থেকেই রানের বন্যা বইয়ে দিচ্ছিলেন তিনি। বছর শেষে দেখা যায় তার ঝুলিতে জমা পড়েছে ১৮৯৪ রান। যা এক বছরে রানের বিশ্বরেকর্ড।

শচীনের সেই ইনিংসটি খেলতে চান তামিম ইকবাল

ওই রানের মধ্যে ৯টি শতক ও সাতটি অর্ধশতক রয়েছে শচীনের। এদের মধ্যে ৪টিই ছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

সেবার শারজায় হওয়া তিন জাতির (অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও নিউজিল্যান্ড) টুর্নামেন্ট কোকাকোলা কাপে শেষ ম্যাচে ১৩১ বলে ১৪৩ রানের ইনিংস খেলেন শচীন।

আর সেই ইনিংসটি নিজে খেলতে চান বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

জনপ্রিয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর ম্যাগাজিন ‘দি ক্রিকেট মান্থলি’র আয়োজন যদি আমি করতে পারতাম- এমন ইচ্ছার কথাই জানালেন তামিম।

ম্যাচ জেতানো ও ফাইনালে নিয়ে যাওয়া শচীনের সেই সেঞ্চুরির ইনিংসকে ইতিহাসসেরা মনে করেন এ বাংলাদেশি ড্যাশিং ওপেনার।

তামিমকে যে বিষয়টি নাড়া দিয়েছে তাহলো – শচীনের ওই অনবদ্য ইনিংসে ভর করেই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ভারত। তাই সব সেঞ্চুরিকে একপাল্লায় মাপতে চান না তামিম।

বাংলাদেশের ওপেনার বলেন, আমার বয়স তখন মাত্র ৯ বছর। টিভিতে খেলা দেখা শুরু করেছি মাত্র। এর আগের বছর বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতেছিল। তখন আড্ডায় ক্রিকেট ছিল সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয়। আমি খুব ছোট বেলা থেকেই শ্রীলংকার কিংবদন্তি সনাৎ জয়াসুরিয়ার অনেক বড় ভক্ত ছিলাম। সে সময় শচীনের ওই ইতিহাসসের ইনিংসটা দেখি। যা কখনওই ভোলার মতো নয়।

তামিম যোগ করেন, আমি সেই ইনিংসটা দেখেছি চট্টগ্রামে আমাদের বাড়ির ছাদে একটা পারিবারিক অনুষ্ঠানের মধ্যে। সৌভাগ্যবশত কেউ একজন ছাদে টিভি নিয়ে এসেছিলেন। তবে তখনই ক্রিকেট দেখা ও শেখা শুরু করেছিলাম।

আরও পড়ুন: দেশের মাটিতে সাকিব আল হাসান এর মাইলফলক।

শচিন যখন ইনিংসটা খেলে, আমি টিভির সামনে থেকে সরে যাইনি এক মুর্হূত। শচীন ততদিনে সুপারস্টার হয়ে গেছেন। তবে এ ইনিংসটা তার মহিমা আরও বাড়িয়েছে।
আমার মতে, শচীনের ১৩১ বলে ১৪৩ রানের ইনিংসটি বেশি স্পেশাল ছিল। কারণ সে সময় অস্ট্রেলিয়ায় বোলিং আক্রমণ এখনকার চাইতেও বেশি শক্তিশালী ছিল। আর শেন ওয়ার্ন, ড্যামিয়েন ফ্লেমিঙ্গো এবং টম মুডির বিপক্ষে যেসব শট খেলেছিলেন শচীন, তা ভোলার মতো নয়। এর সঙ্গে টনি গ্রেগের ধারাভাষ্য বাড়তি মাত্রা যোগ করেছিল।

শচীনের মতো সেই ইনিংসটি আমি নিজে খেলতে চাই। এখনও সময় পেলে ইউটিউবে সেই ইনিংসটি দেখি।

SHARJAH SACHIN GOLD! Sachin Tendulkar BALL BY BALL 143 vs Australia 1998

https://youtu.be/07BMrivOzUE