আপডেট নিউজ:

দি ডেইলী বার্তা পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

‌পুলিশের গাড়ির লাইসেন্স নেই, নিরাপদ সড়ক কীভাবে হবে?

দারাজের পুরষ্কার, এমন অজানা লিংকে কেউ ভুলেও ক্লিক বা প্রেবেশ কিংবা শেয়ার করবেন।

ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা শিরোপা জয় আর্জেন্টিনার

সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্ধ বিরোধিতা করছে: ওবায়দুল কাদের

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম খোকন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রিফাত হত্যা মামলা: মিন্নি, ফরাজি, রাব্বি, সিফাত, হৃদয় ও হাসান এর মৃত্যুদণ্ড। বাকি ৪ আসামি খালাস।

ধর্ষণ মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার

শিরোনাম:

দর্শনায় সড়কের পাশের দুই বিশাল কড়ই গাছ নিধনকে কাটল গাছ ? জানে না প্রশাসন ও!

দর্শনা-মুজিবনগর মহাসড়কের রুদ্রনগর মুন ইটভাটার নিকটে সড়কের পাশ থেকে কেটে ফেলা হয়েছে দুটি বিশাল আকারের কড়ই (চটকা) গাছ। কে বা কারা এসব গাছ কেটেছে, সে বিষয়ে স্থানীয়দের মাঝে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, গতকাল সোমবার সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাছ দুটি কেটে রীতিমতো কাণ্ডগুলো লাট মেরে ফেলে রাখা হয়। ঘটনাস্থলে ঘুরে দেখা গেছে- গাছ কাটার পরে তা সরিয়ে নেওয়া হয়নি, বরং রাস্তার পাশেই পড়ে রয়েছে। তবে কে বা কারা এই গাছ কাটল- তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছে না।


স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, গাছ কাটা নিয়ে কারও কোনো পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি অনুমতি ছিল কি না, সে বিষয়েও কেউ অবগত নয়। অবশ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, দর্শনা-মুজিবনগর মহাসড়ক নির্মাণের সময় টেন্ডার নিয়ে একটি মামলার রায় হয় গাছ কাটার পক্ষে। সেই রায় অনুযায়ী গাছগুলো কাটা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। রুদ্রনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং সড়কের পাশে পরিচালিত বনায়ন কর্মসূচির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সড়কের পাশে যেসব ছোট গাছ রয়েছে, সেগুলো আমাদের সমিতির লাগানো। তবে এই বড় গাছগুলো সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।’
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, ‘ঘটনাটি আমরা দেখছি। আগামীকাল সরেজমিন তদন্তে গেলে বোঝা যাবে কারা, কী কারণে এবং কোন নিয়মে গাছ কেটেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, যদি আদালতের রায় থেকেও গাছ কাটা হয়ে থাকে, তবে যথাযথ প্রক্রিয়ায় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে তা হওয়া উচিত ছিল।


এ ঘটনায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে- জনগণের সম্পদ এই গাছগুলো কাটার পেছনে কি দুর্নীতির কোনো হাত আছে? নাকি এটি পরিকল্পিত বন উজাড়ের অংশ? সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এখন দেখার বিষয়- গাছ কাটা নিয়ে তদন্ত কী ফলাফল দেয়, এবং সত্যি কারা এর পেছনে জড়িত, তা আদৌ জানা যাবে কি না।