মৃত্যু ফাঁদে গাছ ও প্ল্যাষ্টিক সংকেত দিয়ে ২ মাস ধরে চলছে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কে যানবাহন!!
জিয়াবুল হক, টেকনাফ
শীত মৌসুম হলে কক্সবাজারের টেকনাফে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আগমন বেড়ে যায়। পর্যটক নগরী হওয়ায় শীত মৌসুমে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কে যানবাহন থেকে শুরু করে সব কিছুর প্রভাব নিত্যদিনের। স্থানীয় জনসংখ্যার পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে প্রাণ বাচাঁতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মানবতার সেবায় নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থার ছোট-বড় যানবাহন গুলোর অতিরিক্ত চাপ। রোহিঙ্গা আসার পর হতে রাস্তার অবস্থা যে জনাকীর্ণ, তা বলা বড়ই মসকিল।তার পরেও তা তদারকিতে সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ)তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না?
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২ মাস ধরে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কে হ্নীলা ইউনিয়নে দক্ষিণ জাদিমুড়া বাজারের পাশে কালবাট ভেঙে যে মরন ফাঁদ তৈরি হয়েছে। তাতে সড়ক ও জনপদ বিভাগের দৃষ্টি না গেলেও কোন এক মানবিক ব্যক্তি মানুষের প্রাণ রক্ষার্থে গাছ ও প্ল্যাষ্টিক সংক্ষেত দিয়ে রেখেছে। এমতাবস্থায় ফাঁদ মেরামতের ব্যবস্থা না নিলে যেমন প্রসাশন,পর্যটক,বৈদেশিক দাতাস্থা ও গণপরিবহন সহ বড় ধরনের দুঘর্টনা সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ব্যাপারে হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ আলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার-টেকনাফ রোডের উপর গর্তটি উপলব্ধি করা যাচ্ছে যে কোন মুহূর্তে যানবাহন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী জানান, কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে এরকম ভয়ানক গর্ত থাকা যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য হুমকি, আশা করি সড়ক ও জনপথ বিভাগের সুদৃষ্টি পড়বে।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের টেকনাফ শাখার কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ জানান, বিষয়টি শুনেছি, সপ্তার ব্যবধানে তা সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছি। কারণ কক্সবাজার হতে মেরামতের আসবাবপত্রর আসতে হবে যা ছিল তা শেষ হয়েছে।

